নরসিংদীর পলাশ উপজেলার জিনারদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আবারও আলোচনায় এসেছেন পলাশ উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খাঁন। ২০২১ সালের নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এই নেতা আসন্ন ২০২৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছেন।
২০২১ সালের নির্বাচনে মাসুদ খাঁনের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন ছিল বলে দাবি করেন তার কর্মী-সমর্থকরা। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তার কর্মী-সমর্থকদের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও ওঠে। এসব ঘটনার জন্য তৎকালীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী কামরুল ইসলাম গাজীর কর্মী-সমর্থকদের দায়ী করা হয়েছিল।
মাসুদ খাঁনের পক্ষের অভিযোগ, নির্বাচনের দিন ভোটগ্রহণে অনিয়ম ও কারচুপির ঘটনা ঘটেছিল। নির্বাচনে নিজের পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে প্রতিপক্ষ নানা অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে শেষ পর্যন্ত তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
সেই নির্বাচনের প্রায় পাঁচ বছর পর আবারও জিনারদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে আলোচনায় এসেছে মাসুদ খাঁনের নাম। তার সমর্থকদের দাবি, গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি সক্রিয় ছিলেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলেও দাবি তাদের।
এদিকে ২০২৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে জিনারদী ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয়ভাবে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। এর মধ্যে মাসুদ খাঁনের নাম রয়েছে আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রে।
তবে শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হবেন কি না, দলীয় সিদ্ধান্ত কী হবে এবং নির্বাচনী মাঠে অন্য কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন—এসব বিষয় পরিষ্কার হবে নির্বাচনের তফসিল ও প্রার্থীতা চূড়ান্ত হওয়ার পর।
জিনারদী ইউনিয়নের আগামী নির্বাচনে ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে চেয়ারম্যান পদে কে পাচ্ছেন তাদের সমর্থন।