শিরোনাম :
নরসিংদীতে সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু পলাশ ও জিনারদী ইউনিয়নবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা নিছার আহমেদ খান নরসিংদীতে গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ পরিবার পলাতক জিনারদী ইউনিয়নবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা ফিরোজ মোল্লা জিনারদী ইউনিয়নবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন মাসুদ খাঁন নরসিংদীতে কুলখানি অনুষ্ঠানে প্রবেশে হুড়াহুড়ি পদদলিত হয়ে শিশু সহ আহত ১৫ নরসিংদীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে অভিযান ৭ মামলায় জরিমানা ৭৭৫০০ টাকা নরসিংদীতে ভোজ্য তেল মজুদ প্রতিরোধে যৌথ অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠান কে জরিমানা ২২ বছর পর বেলাব উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠন, সভাপতি মামুন সাঃসম্পাদক মোফাজ্জল মনোহরদী উপজেলা ও পৌরসভা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন

দীর্ঘ ২৬ বছর পর গৃহে ফিরলেন আমেরিকা প্রবাসী সুমন; উৎসবের আমেজ

Reporter Name / ৭৯২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার :

দীর্ঘ ২৬ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিজ জন্মভূমি নরসিংদীর রায়পুরার নিজ গ্রামে ফিরেছেন প্রবাসী ও সমাজসেবক মিজানুর রহমান সুমন। তার দীর্ঘ বছর পর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে গ্রামজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবমুখর ও আবেগঘন পরিবেশ।

বুধবার সকালে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের তালুককান্দির নিজ বাড়ি মাষ্টারবাড়িতে পৌঁছালে তাকে বরণ করে নিতে ছুটে আসেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

ফুলেল শুভেচ্ছা, মিষ্টিমুখ আর আনন্দমিছিলের মধ্য দিয়ে তাকে দেয়া হয় উষ্ণ সংবর্ধনা। এর আগে ভোরে স্ত্রী কল্পনা ও দুই কন্যা এনজেল ও আফরিনকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন সুমন।

এ উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা। পরে মাষ্টারবাড়ি চত্বরে আয়োজিত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন স্বজন ও এলাকাবাসী, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

স্থানীয়রা জানান, মিজানুর রহমান সুমন তালুককান্দি গ্রামের মরহুম আতাউর রহমানের ছেলে। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তিনি বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। প্রবাসজীবনেও নিজ গ্রামের মানুষের পাশে ছিলেন অর্থ ও সহযোগিতার মাধ্যমে। তাঁর ফাউন্ডেশন ‘মাষ্টার বাড়ি ফাউন্ডেশন’ এরইমধ্যে অসচ্ছল শিক্ষার্থী, দুঃস্থ পরিবার এবং অসুস্থ রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ভাই রাশেদ প্রধান বলেন, “সুমনের মতো প্রবাসীরা যখন দেশে ফিরে সমাজের পাশে দাঁড়ায়, তখন তা আমাদের তরুণদের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকে। তিনি শুধু প্রবাসে ছিলেন না, দেশেও সবার পাশে থেকেছেন।”

সুমনের মেয়ে এনজেল ও আফরিন জানায়, “বাবার শৈশবের গ্রামের গল্প শুনেছি অনেকবার। এবার নিজের চোখে দেখার সুযোগ হলো, সেটা বাবার হাত ধরে।”

স্ত্রী কল্পনা বেগম বলেন, “স্বামীর অনুপস্থিতিতে কয়েকবার দেশে এলেও পরিবার একসাথে কখনো ফেরা হয়নি। এবার সেই স্বপ্নটা পূরণ হয়েছে।”

মিজানুর রহমান সুমন বলেন, “জন্মভূমির টান কখনোই মুছে যায় না। মা-বাবাকে না পাওয়ার বেদনা থাকলেও এলাকাবাসীর ভালোবাসা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতে শিক্ষা ও মানবসেবায় সক্রিয়ভাবে কাজ করতে চাই। ‘মাষ্টার বাড়ি ফাউন্ডেশন’-এর কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করবো ইনশাআল্লাহ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category