নরসিংদীর পলাশে গলায় ফাঁস দিয়ে শুভ চক্রবর্তী (১৮) নামে এক তরুণ আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নের রাবান গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পলাশ থানা পুলিশ।
নিহত শুভ চক্রবর্তী ওই গ্রামের সুজন চক্রবর্তীর ছেলে। তিনি ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ভাগদী গ্রামের একটি প্লাস্টিক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঘোড়াশাল পৌর এলাকার চামড়ার গ্রামের স্বর্ণা চক্রবর্তীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে করেন শুভ। তাদের দাম্পত্য জীবনে দ্রুব চক্রবর্তী নামে আট মাস বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। তবে বিয়ের পর থেকেই মাঝে মধ্যে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল।
ঘটনার দিন রোববার বিকেলে স্ত্রী স্বর্ণা চক্রবর্তী সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যান। এ সময় শুভ বাড়িতে একাই ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময় ঘরের দরজা বন্ধ করে ধন্নার (বিম) সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।
সোমবার সকাল ৯টার দিকে সন্তানের জন্য দুধ নিতে স্বামীর বাড়িতে এসে দরজা বন্ধ দেখতে পান স্ত্রী। অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভিতরে শুভর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানান, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”