• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
Headline
মনোহরদীতে সতীন কে ফাঁসাতে নিজের কন্যা সন্তান কে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ এক বছরে বারবার ভূমিকম্প আবারো ভূমিকম্প কাঁপলো নরসিংদী ২০২১-এর ভোট বর্জন থেকে ২০২৬ এর আলোচনায় শীর্ষে জিনারদী ইউপি নির্বাচনে মাসুদ খাঁন মনোহরদীতে ৩০০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ সহ দম্পতি গ্রেফতার নরসিংদীতে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নেমে নারী শিশু সহ নিখোঁজ ৪ জিনারদী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মাসুদ খাঁন মাধবদীতে অভিযানে ৯২ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন জরিমানা ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জিনারদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিছার আহমেদ খাঁন মাধবদীতে পারিবারিক কলহে বিষপানে মা-মেয়ের মৃত্যু, বাবা আটক পলাশ উপজেলা যুবদল সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খাঁনের ৪৬তম জন্মদিন পালিত

নরসিংদীতে স্কুলশিক্ষিকার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও অর্থ দাবির অভিযোগ, তদন্তের দাবি স্থানীয়দের

Reporter Name
Update : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

নরসিংদীতে এক স্কুলশিক্ষিকার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের নামে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের অভিযোগ এনে মানহানিকর প্রচারণা চালিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, নরসিংদীর মাধবদীর আলগী গ্রামের মৃত মো. আব্দুস সাদেকের মেয়ে শারমিন রেজোয়ানা ইভা (৩৭), যিনি আলগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে পোস্ট ও ফেসবুক লাইভ করেন।
স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, চিকিৎসক, আইনজীবী, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিসহ একাধিক ব্যক্তি তার কর্মকাণ্ডের কারণে সামাজিকভাবে বিব্রত হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করা হয় এবং অর্থ না দিলে আরও অপপ্রচার বা মামলা করার হুমকি দেওয়া হয়। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে পরিচয়ের মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তুলে পরে বিভিন্ন উপায়ে ব্যক্তিগত তথ্য বা স্ক্রিনশট সংগ্রহ করে চাপ সৃষ্টি করা হতো। সামাজিক সম্মান রক্ষার জন্য কেউ কেউ আপস করতেও বাধ্য হয়েছেন বলে তারা অভিযোগ করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষিকা বিভিন্ন সময়ে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণসহ একাধিক মামলা দায়ের করেছেন। পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে বিভিন্ন ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করে আপত্তিকর ভাষায় পোস্ট করার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে সমঝোতার পর সংশ্লিষ্ট পোস্ট সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গত বছরের ৯ এপ্রিল তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ লঙ্ঘনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও করা হয়।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিরঞ্জন কুমার রায় বলেন, ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং পরে সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সুপারিশে তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়। নতুন অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা পর্যায়ের কমিটির সুপারিশ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত শিক্ষিকার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা